গদি ডেস্ক. গদি মিডিয়া ইন
সম্প্রতি ‘স্বৈরাচার’ খেত, ‘জাতিয় ইনক্রিডিবল শয়তান’ খেতাবপ্রাপ্ত স্বৈরাচার শেখ মুজিবের স্বৈরারচারি কন্যা, ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম ভাবনাকারি, এআই এর প্রবক্তা জাতিয় বিজ্ঞানী ও ‘বিজ্ঞানের অভিশাপ’ খেতাব প্রাপ্ত প্রতিবন্ধী বিজ্ঞানী ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত এলকো খোর ডক্টর সজিব অজেদ জয়ের জনমদুখিনী মা হাছিনা বলেছেন, “আমি মইলে কান্দিওনা মোর দায়।”
হুহু করে কাঁদতে কাঁদতে হাছিনা বলেন, “ খালেদার জানাজায় আর কয়জন লুক হইছে? আমি মরিয়া গেলে ইতিহাসের ইতিহাস হবে। খালেদা জিয়াকে আমি অইত্যাচার করেছি কথাটি ভুল৷ ডন্ট মেস উইদ মি। বরং আমাকে ‘গোপালি’ নামকরণের জন্য উহাকে দেখে নিয়েছি৷ তাহার জানাজায় কেবল পোঞ্চাশ লাখ বিএনপি হয়েছে। আমি মইলে মিনিমাম ৫ কিটি গোপালগঞ্জের লুকজনই সমবেত হয়ে কেবল কান্দাকান্দি করিত। বাকি লুকের কথা নাহয় বাদই দিলাম। এটাই সাইনছ, নট কমাছ। তাছাড়া আমি যেহেতু শেখ বংশের সেহেতু আমার মৃত্যু নাই, আমি অমরত্ব পেয়ে ওমর সানী স্বীকৃতি পেয়েছি।”
বিবিসিতে দেয়া এক উড়ন্ত সাক্ষাৎকারে এই দাবী করেন জগদ্বিখ্যাত কার্লপ্রিট, কাঁঠাল বার্গার ও কুমড়ার বেগুনির আবিষ্কারক খেত পতিত স্বৈরাচার হাছিনা।
ইউসুফ সরকারকে অভিসম্পাত দিতে দিতে জাগ্রত এই স্বৈরাচার বলেন, “ইউসুফ বাংলাদেশ কে একটি নোঙ্গর খানা করিয়া দিয়াছে৷ উহারা আমার সাজানো গোছানো ফুলের বাগানে পেশাব করিয়া দিয়াছে৷ আমি বিদাশে ভিক্ষা করিয়া নানান পজেক্ট আনিতাম৷ এই সেতুরে, ঐ রাস্তারে এই ঘর-বাড়ি, রোহিঙ্গাদের রিলিফ, সকলই ইউসুব সরকার ভস্ম করিয়া দিয়াছে৷”
হু হু করে কাঁদতে কাঁদতে এই স্বৈরাচার বলেন, “বাংলাদেশে এখন খাইবার মতো আর কুনো দান নাই৷ সব ইউসুব মারিয়া দিয়াছে। ইউসুব তুমি দুর্নীতিবাজ, তুমার খুবই কম লাজ। এখন আমার হেলমেট বাহিনীর বায়ুর ছেলেরা কিছু খাইতে না পাইয়া এই বাড়ি ঐ বাড়ি পলায়ন করিয়া বাঁচিতেছে। খোঁজ নিয়া জানিয়াছি উহারা এখন নেড়ি কুত্তার মতো হুগার কাপড় গায়ে পেছাইয়া ঢাকার বিভিন্ন গুবন জায়গায় কুক পলান্তিস খেলিতেছে।”
ঘোঁৎঘোঁৎ করিয়া কাঁদিতে কাঁদিতে হাছিনা বলেন,
“সারাদিন হেলমেট পরিত বলিয়া কি উহারা মানুষ নহে? উহারা ভিন্নজাতের হইলেও মানুষ। আমার পিতার স্বপ্নদোষ। অতচ এখন উহাদের এমনও দিন অতিবাহিত হইতেছে যে উহারা ভাত পায়না দুধ রোজ করে। ইউসুবের বিচার হইবে৷ সাথে একাত্তরের পান্ডা জমায়েতে ইসলামির গে শফিককেও বিচার করিব৷ দেশে আসিয়া পথমে ইউসুবের কালো ডান্ডা গুড়িয়ে দেব। এরপর শফিক সহ পতিটি সমন্নয়কের কালো বন্দুকে ডাণ্ডা বেড়ি পরাইব। মনে রাখিও, এবার আমার দল ক্ষমতায় গেলে খেলাফত পতিষ্ঠিত করিয়া উহার পর শফিককে সমকামিতার দায়ে দোররা মারিয়া কতল করিব। এরপর আবার গদি দখল করিয়া পনের বছরের শাসন পাকা করিয়া মরিয়া যাইব৷ মিনিমাম পঞ্চ কুটি লোক আমার জানাজায় আসিবে দেখিয়া লইয়েন৷ নারায়ে তাকবির, জয় বাংলা! ”
উল্লেখ্য, ৫ই আগষ্ট ছাত্র জনতার হাতে বাটাম খাইয়া পতিত স্বৈরাচার হাছিনা স্বামীর দেশ ইনডিয়া পলায়নের পর এটাই পতিত স্বৈরাচারের প্রথম কোন পত্রিকায় উড়ো লাইভ সম্প্রচার৷
তার এই উড়ো লাইভ সম্প্রচারের তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে বাংলাদেশে বর্তমানে সব বিভাগে সিন্ডিকেট পালন করা ৭১ এর গণশত্রু, বাংলাদেশের চিরশত্রু জমায়েতসও বিএনপির পক্ষ থেকে৷ তারা বলেছেন, “এবার বাংলার মাটিতে পা দিলে হাছিনা সহ হাউয়ামিলীগকে দেখিয়া নেব৷ ”
